এনবি নিউজ : শিক্ষার্থীরা চাপা ক্ষোভের কারণে আত্মহননের পথ বেছে নিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার প্রবণতারোধে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অন্তত ২ জন কাউন্সিলিংয়ের শিক্ষক রাখা হবে। সেজন্য সারা দেশে ২ লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

আজ রবিবার সকালে চাঁদপুরের হাইমচরে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মেয়েরা অনেক সময়ই নানাভাবে ইভটিজিংয়ের শিকার হয়। সে সমস্যাটি যদি পরিবারের কাছে বলতে না পারে এবং তার শিক্ষকের কাছে বলতে না পারে, সেই চাপা আবেগের কারণেই আত্মহননের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। কাজেই আমরা যেন আমাদের সন্তানদের সাথে প্রাণখুলে কথা বলি। তাদের সমস্যা অনুধাবনের চেষ্টা করি এবং সেটা সংবেদনশীলতা নিয়ে করি। আমরা যেন গোড়াতে সন্তানের কোনো সমস্যা দেখলেই তাকে অভিযুক্ত না করি। তাকেই যেন না বলি ‘এটা তোমার দোষে হয়েছে’। আমাদের সন্তানদের বোঝাতে হবে তাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা। এমন আবেগেই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটতে পারে।

দীপু মনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বয়ঃসন্ধিকাল এমন একটি সময়, যখন অনেক ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। যেমন শারীরিক ও মানসিক। সবসময় সঠিক তথ্য তারা পায় না। বাবা-মাও ঠিকমতো তাদের বুঝায় না। স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে যা আছে, তাও তাদের ঠিকমতো জানানো হয় না।
এসময় হাইমচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটোয়ারী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চাই থোয়াইহলা চৌধুরী, ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জাহিদুল ইসলাম রোমান উপস্থিত ছিলেন।
এ টি