এনবি নিউজ : মাদারীপুর নাজিম উদ্দিন সরকারি কলেজের স্নাতকোত্তরের ছাত্রী হাবিবুন্নেছা এখন সফল গবাদিপশুর খামারি। তাঁর খামারের একটি বিরাটকায় গরুর নাম ‘নবাব’। নবাবের ওজন ৭২০ কেজি (১৮ মণ)। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে স্থানীয় বিক্রেতারা গরুটি দেখতে আসছেন, বিভিন্ন দাম বলছেন। ঈদুল আজহার এক মাসের বেশি সময় বাকি থাকায় ব্যবসায়ীরা একটু সময় নিচ্ছেন।

হাবিবুন্নেছার আশা, নবাবকে বিক্রি করবেন ৯ লাখ টাকায়। শুধু তা–ই নয়, এ বছর ঈদুল আজহায় বিক্রি করার জন্য তাঁর খামারে এমন ১৬টি গরু প্রস্তুত করা হয়েছে।

আড়াই বছর সন্তানের মতো যত্ন নিয়ে নবাবকে বড় করেছেন হাবিবুন্নেচ্ছা। তাকে বিক্রি করতে হবে ভাবলেই বুকের ভেতরটা দুমড়েমুচড়ে যায় বলে জানান। শুক্রবার নড়িয়ার জপসা ইউনিয়নের কোব্বাছ মাদবর কান্দি গ্রামে

আড়াই বছর সন্তানের মতো যত্ন নিয়ে নবাবকে বড় করেছেন হাবিবুন্নেচ্ছা। তাকে বিক্রি করতে হবে ভাবলেই বুকের ভেতরটা দুমড়েমুচড়ে যায় বলে জানান। শুক্রবার নড়িয়ার জপসা ইউনিয়নের কোব্বাছ মাদবর কান্দি গ্রামে

হাবিবুন্নেচ্ছা  বলেন, ‘তিন বছরে অনেক যত্ন করে গরুর খামারটি গড়ে তুলেছি। ২০১৯ সালে ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে নবাবকে কিনে খামারে এনেছি। গত আড়াই বছর সন্তানের মতো যত্ন নিয়ে নবাবকে বড় করেছি। তাকে বিক্রি করতে হবে ভাবলেই বুকের ভেতরটা দুমড়েমুচড়ে যায়। তারপরও যেহেতু বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে গরু পালন, তাই কষ্ট বুকেই চাপা রাখতে হবে।’

শরীয়তপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র দাস  বলেন, গবাদিপশুর খামার করে অনেকেই এখন সফল। নড়িয়ার কলেজছাত্রী হাবিবুন্নেছা খামার করে সফল হয়েছেন। জেলায় ৮ হাজার ৫০০ পরিবার গবাদিপশু পালনের সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে বড় খামারি রয়েছেন ৫০০–এর মতো। তাঁরা কোরবানির জন্য ৪৫ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত করছেন।