এনবি নিউজ : মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে হত্যার শিকার সেই অজ্ঞাত পরিচয় নারীর হাত, পা ও দেহের পর দুই সপ্তাহ পর পাওয়া গেলে তাঁর মাথার খুলির সন্ধান। এখনও সেই নারীর এক পায়ের সন্ধান মিলেনি।

শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালেক বৃহস্পতিবার রাতে জানান, স্থানীয় চা শ্রমিকেরা বাগানে কাজ করতে গিয়ে বাগানের সেকশনের ভেতরে পরিত্যক্ত জায়গায় মানুষের খুলি দেখতে পায়। বাগান থেকে ফোন করে থানায় জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খুলিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। যেহেতু ওই এলাকার আশপাশেই অন্যান্য অঙ্গগুলো পাওয়া গেছে, তাই ধারণা করা হচ্ছে খুলিটি ওই নারীরই হবে। তবে এখনও পাওয়া যায়নি একটি পা। ওই খুলির ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা হবে।

গত ২১ জুন সকালে শ্রীমঙ্গলের মির্জাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পাচাউন গ্রামের একটি কচুখেতে বিচ্ছিন্ন পা ও ঊরু পাওয়া যায়। ওই দিন বিকেলে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে দুটি বাঁশঝাড়ে পাওয়া যায় দুটি হাত। পর দিন ২২ জুন প্রায় আট কিলোমিটার দূরে বৌলাছড়ার পাহাড়ী এলাকায় পাওয়া যায় গলা থেকে কোমরের অংশ।

গত ২১ জুন সোমবার দুপুরে মির্জাপুর ইউনিয়নের পাচাউন গ্রামে স্থানীয় এক কৃষক কচুখেতে মেলে মানুষের দেহ থেকে খণ্ডিত একটি পা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পায়, কোমর থেকে হাঁটু পর্যন্ত এক টুকরো এবং হাঁটু থেকে পায়ের নিচের অংশের আরেক টুকরো পড়ে আছে। পাশে  প্লাস্টিকের একটি ছোট বস্তা রয়েছে। ধারণা করা হয়ম প্লাস্টিকের ওই বস্তায় পায়ের টুকরাগুলো ছিল। পরে ওই দেহের বাকী অংশ খুঁজতে গিয়ে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে একই গ্রামের একটি বাঁশঝাড়ে একটি হাত এবং পাশের আরেক বাঁশঝাড়ে আরও একটি হাতের সন্ধান মেলে।

পরে ২২ জুন সকালে কচুখেত ঘটনাস্থল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরত্বে উত্তর বৌলাছড়ার নির্জন পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায় মানবশরীরের গলা থেকে কোমরের খণ্ডিত অংশ। বর্তমানে পা খুঁজতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।