ঘন কুয়াশার সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাসে মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। কয়েক দিন ধরে কিছুক্ষণের জন্য রোদের দেখা মিললেও হিমেল বাতাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উত্তাপ ছড়াতে পারছে না সূর্য। এ কারণে দিনভর শীতে জবুথবু থাকতে হচ্ছে। গত দুই দিন নওগাঁয় দেশের সর্বনিম্ম তাপমাত্রা বিরাজ করছিল। ৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নওগাঁর ইতিহাসে সর্বনিম্ম তাপমাত্রা।

এর আগে গত বুধবার নওগাঁয় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দ্বিতীয় দফায় নওগাঁর উপর দিয়ে মৃদু শৈত প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এতে করে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কনকনে শীতে সাধারণ মানুষরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। শীতবস্ত্রের অভাবে নিম্ন আয়ের মানুষেরা কষ্ট পোহাচ্ছে। শীতের কারণে সন্ধ্যা হতে না হতেই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে জনমুখর স্থানগুলো।

দিনের বেলায় নিরুত্তাপ সূর্যের দেখা মিললেও বিকেল থেকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। উত্তরের হিমেল হাওয়া আর কনকনে শীতের খেটে-খাওয়া বিশেষ করে দিনমজুর, ভবঘুরে, গরীব, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষরা চরম বেকায়দায় পড়েছে।

অপরদিকে প্রচণ্ড শীতে শীতজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। জেলার প্রতিটি হাসপাতালে রুগী ভর্তি থাকলেও জেলার কোথাও এখন পর্যন্ত শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে কোন শিশু বা বৃদ্ধের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়া যায়নি।